Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার উপায় সমূহ

 

সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক। নিজের ছবি, মতামত শেয়ার করার পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অন্যতম মাধ্যমও এটি। শুধু তাই ই নয়, নতুন নতুন বন্ধু পাওয়ারও ক্ষেত্র এটি। তবে বর্তমানে ফেসবুক ইনকামের অন্যতম এক উৎসে পরিণত হয়েছে। অনলাইন ব্যবসা থেকে শুরু করে নানাভাবে এখান থেকে আয় করে বেকারত্ব ঘোচাচ্ছে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী।


তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে কীভাবে সম্ভব এটি। পেজ, গ্রুপ, ভিডিও তৈরি করেও ফেসবুক থেকে আয় করা যায়। এছাড়া বিজ্ঞাপন এই ক্ষেত্রে আয় করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। শুধু আমাদের দেশই নয়, বিশ্বের আরও অনেক দেশের ব্যবহারকারীরাই ফেসবুক থেকে নিয়মিত আয় করছেন।

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানতে এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক ফ্রি সেমিনারে অংশ নিতে আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন আমাদের ফ্রি ক্লসে প্রতিদিন রাত ৯:০০

রেজিষ্ট্রেশন লিংকhttps://forms.gle/ujQhY9rogHdqGmNg7

চলুন আপনি যে উপায়ে ঘরে বসে ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক -


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে অনলাইনে আয়ের হট টপিক বলা চলে। কম পরিশ্রমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয়ের সম্ভাবনা থাকায় অনেকেই ঝুঁকছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের দিকে। ফেসবুক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এরও সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র।



অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে মধ্যস্ততাকারীর কাজকেই বোঝানো হয়। ধরুন, আপনি হলেন একজন ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যজন। আপনার সুপারিশে যদি কোনো ক্রেতা কোনো প্রডাক্ট ক্রয় করেন, সেক্ষেত্রে আপনি যেহেতু প্রোডাক্টটির ক্রয়ের পেছনে ক্রেতাকে উদ্বুদ্ধ করেছেন তাই আপনি সেখান থেকে কমিশন পাবেন।


বড় বড় স্ট্যার্ট আপ কোম্পানি যেমন- অ্যামাজন, দারাজ বা বিডিশপ অনেক সেলিব্রেটি কিংবা ব্লগারদেরকে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করেন। অনেক সময় তাদের একটি কোড বা রেফারেল লিংক দেওয়া হয়। এখন কেউ যদি সেই কোড ব্যবহার করে পণ্য ক্রয় করেন তাহলে সেই ব্লগার এর জন্য কমিশন পাবেন। এখানে পণ্যটির দামের একটি নির্দিষ্ট অংশ তার আয় হবে। যার রেফারেল লিংক থেকে যত বেশি সেল হবে, যে তত বেশি আয় করতে পারবেন।


ফেসবুক গ্রুপ

ফেসবুক গ্রুপগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফেসবুক গ্রুপের এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আপনিও আয় করতে পারেন। ফেসবুক গ্রুপ থেকে আয় এর ক্ষেত্রে আপনার দরকার পড়বে একটি ফেসবুক গ্রুপ যেখানে নিয়মিত পোস্ট হয় আর ভালো এনগেজমেন্ট রয়েছে।


প্রথমত আপনার ফেসবুক গ্রুপে অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারেন। যা বর্তমানে একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও আপনার পণ্য বিক্রিতেও ফেসবুক গ্রুপ ব্যবহার করে আয় করতে পারেন।


পেজ ম্যানেজমেন্ট

অনেক সময় দেখা যায় সেলিব্রেটি কিংবা সেলিং পেজগুলো অনেক বেশি ফলোয়ার থাকে। ফলে বিভিন্ন কাজের চাপে ওনারের পক্ষে একা পেজ চালানো সম্ভব হয় না। পেজ আপডেট রাখা, পোস্ট দেওয়া, কমেন্ট পড়া বা রিপ্লাই দেওয়ার জন্য বেশি মানুষের প্রয়োজন হয়। এজন্য অ্যাকাউন্ট বা পেজ ম্যানেজ করার জন্য তারা জনবল নিয়োগ করেন। অন্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করে আপনিও আয় করতে পারেন।

এছাড়াও, 

ফেসবুক অফিসিয়ালি ভাবে নতুন ভিডিও মনিটাইজেশন সার্ভিস চালু করেছে। যার মাধ্যমে আপনারা ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনারা যেকেউ নিজে একটি পেজ তৈরি করে, সেখানে ভিডিও আপলোড করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।


অ্যাকাউন্ট সেল করা:


অনেকদিন ধরে চালানো কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সেল করার মাধ্যমে ভালোই আয় করা সম্ভব। একটা সময় অনেকে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খুলে রাখতো। কিন্তু বাস্তবতা বলে, একের অধিক অ্যাকাউন্ট চালানো অনেকটাই কষ্টসাধ্য। তবে এখানে প্লাসপয়েন্ট হলো, পুরাতন অ্যাকাউন্ট, পেজের কিন্তু এখন অনেক দাম। কেননা অনেকদিন আগে থেকেই এসব পেজ-গ্রুপের সাথে ইউজাররা পরিচিত হয়ে আছে। পাশাপাশি, অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব পুরাতন অ্যাকাউন্ট-পেজ-গ্রুপের প্রচুর চাহিদা। তাই বেশি সংখ্যক ফলোয়ার, বেশি সংখ্যক লাইক ও অধিক গ্রুপ মেম্বার সমৃদ্ধ যেকোনো কিছু আপনি অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।


ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং (Influencer Marketing)


ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টা অনেকটা আধুনিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এর মত। নামকরা কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা প্রচারণার জন্য স্বনামধন্য ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদেরকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত করে।


ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার হতে হলে প্রথমেই আপনাকে প্রোফাইলে মানসম্মত কিছু কন্টেন্ট ও যথেষ্ট সংখ্যক ফ্যান-ফলোয়ার থাকতে হবে। এবং অবশ্যই আপনার ফেসবুক এক্টিভিটিতে সার্বিকভাবে ফলোয়ারদের সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া থাকা উচিত। এরপর Hireinfluence, BlogMint, Fromote এর মত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেট এজেন্সির ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পরপরই আপনি কোনো এক ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করবেন এবং পরবর্তীতে ঐসব ব্র্যান্ডের পোস্ট প্রচার করার মাধ্যমে আপনি ফেসবুকে আয় করতে পারবেন।

Post a Comment

0 Comments